Top

Welcome to Official Website of Logon Marriage Media

Mail :
info@logonmarriagemedia.com
Call Us :
+88 01715259787
বিয়ে করেও না জানানোর কারণ কি?

বিয়ে করেও না জানানোর কারণ কি?

বিয়ের পরও অনেক দম্পতি চালিয়ে যান গোপনীয়তার ভণিতা। কাউকে যদি দেখি বিয়ে করেও ব্যাচেলর জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন স্বভাবতই মনে হবে, ‘এর মধ্যে ঝামেলা আছে’।

বিয়ে করেও না জানানোর কারণ কি?

১) বিয়ে করে সে কথা লুকিয়ে রাখেন কেউ কেউ। তবে তারকা, বিশেষ করে শোবিজের তারকাদের মধ্যে এই প্রবণতা মাঝে মাঝেই দেখা যায়। অবশ্যই তা সব তারকার ক্ষেত্রে নয়।

২) আঠারো বছর পেরোয়নি, তাই আইনি ঝামেলা এড়াতে বিয়ে করিয়ে গোপন রাখা হয় -এমন খবরও পাওয়া যায় মাঝেমধ্যে।

৩) পাশের বাড়ির লোকজন বা ‘কুটিল’ আত্মীয়স্বজন বিয়ে ভেঙে দিতে পারেন, এই ভয়েও গোপনীয়তার আশ্রয় নেন অনেকে।

৪) প্রেমের বিয়ে মা-বাবা বা পরিবার যদি মেনে না নেয়, সে আশঙ্কায় গোপন রাখা হয়।

৫) চাকরি করতে অনেকে দেশ-বিদেশে যান। সাময়িকভাবে অনেকে লুকিয়ে সংসার পাতেন।

৬) অনেক দিন বিয়ে হয়েছে, বাচ্চা হয় না বা পরপর তিন-চারটা মেয়ে হয়েছে বা প্রথম স্ত্রী মত দিচ্ছেন না। তখন আর কী করা? গোপনে আরেকটি বিয়ে।

৭) কিছু কিছু পেশা আছে, যাঁরা নির্দিষ্ট সময়ের আগে বিয়ে করতে পারেন না। সে ক্ষেত্রে বিয়ে গোপনের কাহিনি শোনা যায়।

এতে কারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়?

পরিবার, সামাজিক মূল্যবোধগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। পারস্পরিক আস্থার জায়গাটা নড়বড়ে হয়ে যায়। সন্তানেরা নিজেদের সামনে কতগুলো স্বার্থপর লোকদের আনাগোনা দেখে বড় হয়। ফলে তারা ভবিষ্যতে কী ভূমিকা পালন করবে, নিজেরাও তা জানে না। পরিবারে সবাই কমবেশি সামাজিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিপত্তি এড়াতে যা করণীয়

• বিয়ে নিয়ে গোপনীয়তা কোনো আইনি অধিকার নয়, বরং বিয়ে প্রকাশ্যে সবাইকে জানিয়ে করাই উত্তম।

• যে বিবাহ নিয়ে আইনগত সংকটের আশঙ্কা রয়েছে; তা বর্জন শ্রেয়।

• গোপন বিয়ের সন্তান হলে তাদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। সেটাও মনে রাখা প্রয়োজন।

Our Blog